
বন্দর প্রতিনিধি // কি মধু চেয়ারে, দীর্ঘদিন চাকরি ও দায়িত্ব পালনে নানা অনিয়ম ও দূর্ণীতির প্রমানসহ ব্যাপক অভিযোগে সিক্ত। চাকরি ও দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ বাণিজ্যিক কারিশমার অভিযোগ থাকলেও রহস্যময় কারনে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। কর্তাবাবুর বিষয়টি নিয়ে খুদ অফিসের অধিকাংশ লোকই বিশাল ফেডাপ থাকলেও কিছু বলার সাহসতো দুরের কথা, কোন পরামর্শের জন্য গেলেও বিরুপ আচরণ করতো বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে অফিস স্টাফরা জানান। যে গুনি লোকের বিষয়টি বলা হচ্ছে তিনি বন্দর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সদানন্দ রায়। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২ দিন আগে চাকরি মেয়াদ শেষে অবসরে যায়। বিদায় নিলেও অফিসের চেয়ার যেন তাকে ছাড়তে চায় না! নাকি তিনিই (সদানন্দ রায়) চেয়ারের মায়ার জালে আবব্ধ। চেয়ার তাকে ছেড়ে দিলেও তার অনৈতিক কর্মকান্ডের ষোলকলা পূর্ণ করতে অবসরে গিয়েও নিয়মিত অফিসে আসছেন এবং বিভিন্ন ফাইল ও নথি নিয়ে নাড়াচাড়া করতে দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে পরিবার পরিকল্পনা অফিসে হঠাৎ গিয়ে দেখা মিলেছে সদানন্দ রায় এর কার্যক্রম। অফিসের দ্বিতীয় তলায় উঠতেই সদানন্দ রায় অচমকা হয়ে পড়ে, দ্রুত প্লাস্টিকের (জুতা) পড়েই নিচে নেমে যায। তার মোবাইল নাম্বারে ফোন দিয়েও রিসিভ করানো যায়নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তার দেখা মিলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ওই খানে বসেছিলে কথা বলতে চাইলে তিনি অন্য রুমে চলে যায়। বিদায় বেলায়ও তিনি অফিসের ওই চেয়ারে কিভাবে বসে আর ফাইল ও বিভিন্ন নথি ধরার ক্ষমতা কি তার আছে এমনই প্রশ্ন খুদ স্টাফদের। পূর্বের দীর্ঘদিনের ফাইলগুলো আপডেট করার জন্য তার মিশন। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিভিল সার্জনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এমনকি সদানন্দ রায় এর অর্থ সম্পদ,নামে -বেনামে সম্পত্তি বিশাল মাপের। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সদানন্দ রায়ের নানা অপকর্মের বিষয়ে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে থলের বেড়াল। কি মধু সেই চেয়ারে?? মধু নাকি নিজের অবস্থান পরিস্কার করতে বিদায়ী সদানন্দ রায় অফিসে আসেন।
আপনার মতামত লিখুন :